মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ০৫:৪৭ অপরাহ্ন
আব্দুল হাকিম বিশেষ প্রতিনিধি
দীর্ঘ বছর যাবত নানা প্রতিকূলতার মধ্যে খুলনা বিভাগের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সমুহ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। নতুন সরকারের অধীনে সমস্যা সমাধান হবে এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের । অধিকাংশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গুলোতে
জরাজীর্ণ কমপ্লেক্স ভবন, ৩য় ,৪র্থ শ্রেণীর জনবল সংকট, চিকিৎসকদের ডরমেটরির বেহাল দশা । উপকূলীয় উপজেলা শরনখোলাতে অন্যান্য সমস্যার সাথে যোগ হয়েছে মিষ্টি পানির তীব্র সংকট। প্রায় ২ লাখ জনগোষ্ঠীর উপজেলা শরনখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা যায়, ৫০ শয্যার হাসপাতালটিতে প্রতিদিন ৬০ জনের উপরে রোগী ভর্তি থাকে। এছাড়া বহির্বিভাগে প্রতিদিন ৪শ জনের উপরে রোগী আসে ,রোগীর সাথে স্বজনেরা থাকে। ফলে হাসপাতালটিতে কর্মকর্তা কর্মচারী সহ আন্তঃ বিভাগ ও বহিঃ বিভাগে রোগী ও সাথে আসা স্বজনরা সব মিলিয়ে ১৫- ১৬ শ লোকের সমাগম থাকে প্রতিদিন ক্যাম্পাসটিতে। পরিচ্ছন্নতা পয়ঃনিষ্কাশন কর্মী না থাকায় ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতে প্রতিনিয়ত হিমশিম খেতে হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। এছাড়া হাসপাতাল ভবনটিও জরাজীর্ণ, বিভিন্ন জায়গা থেকে পলেস্তরা প্রতিনিয়ত খুলে খুলে পড়ছে। ডাক্তারদের ডরমেটরির অবস্থা খুবই খারাপ। সেখানেও ছাদ থেকে পলেস্তরা খুলে খুলে পড়ছে । দৈনন্দিন পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যবহৃত একমাত্র মিষ্টি পানির উৎস হাসপাতালের ভিতরের পুকুরটি দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে ভরাট হয়ে যাওয়ায় গরমের সময় পুকুরটিতে পানি থাকে না । সবকিছু মিলিয়ে এক কঠিন প্রতিকূলতা ও প্রতিবন্ধকতার মধ্য দিয়ে চলছে হাসপাতালটির কার্যক্রম । বর্ষাকালে হাসপাতালের প্রায় ৭০% জায়গায় তৈরি হয় জলবদ্ধতা ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা ভেঙে পড়ায় দীর্ঘদিনের এই সমস্যাটি এখনো সমাধান হয়নি। সার্বিক বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও প,প কর্মকর্তা ডাঃ প্রিয় গোপাল বিশ্বাস বলেন হাসপাতালটির অবকাঠামগত সমস্যা , ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর জনবলের সংকট, ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা, মিষ্টি পানির উৎসের সমস্যা গুলো দীর্ঘদিনের আমি বিভিন্ন ফোরামে দীর্ঘদিন যাবত বলে আসছি এবং যোগদানের পর থেকেই সার্বিক বিষয়ে লিখালিখি করে আসছি এখনো পর্যন্ত সমস্যার তেমন কোন সমাধান মেলেনি।