মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ০৫:৪৭ অপরাহ্ন

Headline :
পুটিখালি ইউনিয়ন বাসিকে ঈদুল আজহা উপলক্ষে শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক নৈহাটি ইউনিয়ন বাসিকে ঈদুল আজহা উপলক্ষে শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক পরিত্যক্ত ভবনে চলছে খুলনা জেলা  রেজিস্টার কার্যালয়ের কার্যক্রম  খুলনা মংলা মহাসড়ক ও ঢাকা খুলনা ( মোল্লহাট – কাটাখালি)মহাসড়ক বর্তমানে  অত্যন্ত দুর্ঘটনা প্রবণ  দীর্ঘ বছর যাবত নানা প্রতিকূলতার মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনায় হিমশিম খাচ্ছে খুলনা বিভাগের স্বাস্থ্য খাত বেতকাশি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবুল বাশার খান এর মৃত্যুতে দোয়া ও মিলাদ  খুলনার রূপসায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাথেই চলছে আজাদ ব্রিকসের ১ টি ও সিটি ব্রিকসের ২ টি ইট ভাটা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে খুলনা সদরে ৩৭ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংস্কারের প্রায় অর্ধ কোটি টাকার সিংহভাগই লুটপাট দেখার কেউ নেই ভুমিদস্যুদের বাধা দেওয়ায় নির্মম হামলায় আহত ২ ভুক্তভোগীর থানায় লিখিত অভিযোগ ‎ ভুমিদস্যুদের বাধা দেওয়ায় নির্মম হামলায় আহত ভুক্তভোগীর থানায় লিখিত অভিযোগ, তদন্তের দাবি ‎

পরিত্যক্ত ভবনে চলছে খুলনা জেলা  রেজিস্টার কার্যালয়ের কার্যক্রম 

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ০৫:৪৭ অপরাহ্ন
Oplus_131072

যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা

 

আঃ হাকিম বিশেষ প্রতিনিধি

 

  পরিত্যক্ত ভবনে চলছে খুলনা জেলা রেজিস্টার  কার্যালয়ের কার্যক্রম । যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। জেলা  রেজিস্টার  কার্যালয় সূত্রে জানা যায়  , প্রায় ২০০ বছর আগে নির্মিত হওয়ায় পুরো ভবনটি জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এমন অবস্থায় ঝুকি নিয়েই  কার্যক্রম পরিচালনা করছে জেলা রেজিস্টার ও সদর উপজেলা সাব রেজিস্টারসহ  সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ের  দুই শতাধিক  কর্মকর্তা,  কর্মচারী নকল নবিশ । এছাড়া প্রতিদিন কয়েক’শ সেবা গ্রহীতা এখানে বিভিন্ন সেবা নিতে আসে। এ ভবনে সংরক্ষিত রয়েছে খুলনা জেলার জমা- জমির অনেক মূল্যবান পুরোনো দলিল ও নথিপত্র । সরেজমিন দেখা যায়, ভবনটির বিভিন্ন জায়গা থেকে পলেস্তারা খুলে খুলে পড়ছে । ফাটল ধরেছে মূল ভবনের দেয়ালের বিভিন্ন অংশে। কর্মকর্তা কর্মচারীরা জানান,  বৃষ্টি হলেই  ভবনটির ছাদ থেকে মূল ভবনের বিভিন্ন অংশে পানি চলে আসে। ফলে মূল্যবান দলিল ও নথিপত্র  সংরক্ষণ করা অত্যান্ত  জটিল হয়ে পড়েছে। অপরদিকে ভবনের    বিভিন্ন অংশে বড় বড় ফাটল ধরেছে । যেকোনো সময় সম্পূর্ণ ভবনটি ভেঙে পড়তে পারে ।এমন ভবনের  মধ্যে প্রতিদিন জীবন ঝুঁকি নিয়েই দাপ্তরিক কাজ করতে হচ্ছে সংস্লিস্টদের। ভবনটি ইতোপূর্বে গণভূর্ত বিভাগ কয়েকবারই পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে । তারপরও বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় এমন প্রতিকূল পরিবেশে কাজ করতে হচ্ছে সংস্লিস্টদের। খুলনা জেলা রেজিস্টার ও সদর সাব – রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে সেবা নিতে আসা  সেবাগ্রহিতাদের  সাথে  আলাপকালে তারা জানান এমন ভবনের নিচে অবস্থান করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ । যেকোনো সময় মূল ভবন ভেঙে পড়তে পারে । কাজের প্রয়োজনে এসেছি । সরকারের উচিত খুব দ্রুত এখান থেকে এ কার্যালয়টি  স্থানান্তর করা। এমন ঝুঁকিপুর্ন পরিবেশে কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে খুলনা জেলা রেজিস্টার মোঃ মিজানুর রহমান বলেন , আমি যোগদানের পর থেকে ভবনের বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে চিঠিপত্রের মাধ্যমে বারবার অবগত করে আসছি । ভবনটি গণপূর্ত বিভাগ থেকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। অন্যত্র ভাড়া করা ভবন ও দেখা হয়েছে । বরাদ্দ পেলে নতুন ভবনে কার্যালয় স্থানান্তর করা হবে। তিনি আরো জানান ,খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলা ব্যতীত অন্যান্য উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস গুলোর ও নিজস্ব ভবন নাই । সাব রেজিস্টার এর কার্যালয় গুলোতে  মানুষের মূল্যবান জমা -জমির দলিল   ও নথিপত্র সংরক্ষিত থাকে ।  প্রত্যেকটি সাব -রেজিস্টার কার্যালয়ে প্রতিদিন অসংখ্য সেবা গ্রহীতা সেবা  নিতে আসে। এছাড়া রেজিস্টার ও  সাব- রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের মাধ্যমে সরকারের বড় রকম রাজস্ব আয় হয়। ফলে মানুষের মূল্যবান দলিল নথিপত্র সংরক্ষণ , কর্মকর্তা কর্মচারীদের ও সেবা গ্রহীতাদের জন্য মানসম্মত ভবন প্রত্যেকটি উপজেলায়  প্রয়োজন।  বর্তমান সরকার   খুলনা জেলা  রেজিস্ট্রারের কার্যালয় সহ  এ জেলার প্রত্যেকটি উপজেলায়  সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের নিজস্ব ভবন স্থাপনের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবে এবং খুব দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ হবে এমন প্রত্যাশা খুলনা বাসীর।