শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫২ পূর্বাহ্ন
আব্দুল কাইয়ুম খান
খুলনার রূপসার পালের বাজার এলাকায় প্রায় ১ বছর যাবত কোন প্রকার দাপ্তরিক অনুমোদন ছাড়াই চলছে মেসার্স গণি পেট্রোলিয়াম । এলাকাবাসী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১ বছর আগে ইমাম হোসেন নামের এক ব্যক্তি অধিক মুনাফার আশায় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের জায়গায় কোন প্রকার অনুমোদন ছাড়াই অবৈধভাবে পেট্রোল পাম্পটি গড়ে তোলেন। স্থানীয়রা জানায়, বিস্ফোরক অধিদপ্তরের পরিদর্শন ও ছাড়পত্র ছাড়াই কিভাবে একটি পেট্রোল পাম্প চলে তা আমাদের জানা নেই ? এখানে যেকোনো সময় ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটতে পারে এবং ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ছড়িয়ে পড়তে পারে। এছাড়া পাম্পের মালিক একজন অসাধু ব্যবসায়ী যে মেশিনে তেল পরিমাপ করে দেয় সেই মেশিনটির ও বি এস টি আই ও এর কোন অনুমোদন নেই। ফলে প্রতারিত হচ্ছে ক্রেতারা। স্থানীয়দের মধ্যে নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেকে জানান , প্রতিদিন পেট্রোল পাম্পটিতে ২/৩ হাজার লিটার পেট্রোল, ডিজেল, অকটেন বিক্রি করছে ইমাম হোসেন । পদ্মা ,মেঘনা, যমুনা এসব কোম্পানির সাথে তার কোন চুক্তি ও নেই। অধিক মুনাফার আশায় অসাধু ইমাম হোসেন চোরাই ও নিম্নমানের তেল তার পাম্পে বিক্রি করছে। সার্বিক বিষয় নিয়ে পাম্পের মালিক ইমাম হোসেনের সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমার ট্রেড লাইসেন্স আছে, পরিবেশের ছাড়পত্র আছে, ফায়ার সার্ভিসের অনুমোদনও রয়েছে বিস্ফোরক অধিদপ্তরের লাইসেন্স নেই । তিনি আরো বলেন বি এস টি আই এর অনুমোদন আমার পাম্পের জন্য প্রয়োজন হয় না । পেট্রোল পাম্পটির বিষয়ে বিস্ফোরক পরিদপ্তর খুলনায় বিভাগীয় পরিদর্শক মুহাম্মদ হাশেম জানান বিস্ফোরক পরিদপ্তরের পরিদর্শন পরবর্তী ছাড়পত্র ছাড়া পেট্রোল পাম্প পরিচালনা করার কোন সুযোগ নেই। পেট্রোল ও অকটেন অতিমাত্রার দাহ্য পদার্থ হওয়ায় যে কোন মুহূর্তে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে হতাহতের ঘটনাও ঘটতে পারে। বিষয়টি আমি জেনেছি এবং অবৈধ পেট্রোল পাম্পটির বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পেট্রোল পাম্পের পরিমাপক যন্ত্রের বিএসটিআই কর্তৃক অনুমোদন থাকতে হবে এমন আইন থাকলেও গনি পেট্রোলিয়াম পেট্রোল পাম্পের বিএসটি আই লাইসেন্স এর প্রয়োজন নাই পামটির স্বত্বাধিকারী ইমাম হোসেনের এমন বক্তব্যের বিষয়ে জানতে বিএসটিআই এর খুলনার পরিচালক প্রকৌ : রহিমা তালুকদার এর সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তার মুঠোফোনের সংযোগ বন্ধ পাওয়া যায়। অবৈধ এই প্রতিষ্ঠানটি বন্ধে স্থানীয়রা আশু প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ।