সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০৪ অপরাহ্ন

Headline :
খুলনায় পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে অবৈধ পলিথিন জব্দ খুলনা সাতক্ষীরা মহাসড়কের জিরো পয়েন্ট – চুকনগর অংশের দীর্ঘ বছর যাবত বেহাল দশা সাতক্ষীরা মহাসড়ক এখন মৃত্যুফাঁদ : ঝুঁকি নিয়ে চলছেন লাখো মানুষ সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ কে ১১ কোটি টাকা পরিষোধের পরও বিদ্যুতের খুঁটি অপসরণে ধীরগতি ঝিনাইদহে ক্লিনিক্যাল বর্জ্য অব্যবস্থাপনার দায়ে ও যথাযথ প্রক্রিয়ায় রিএজেন্ট সংরক্ষণ না করায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা জরিমানা আদায় খুলনায় পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ ও জরিমানা আদায় সরকারি আবাসনে নতুন দৃষ্টান্ত: মিরপুর পাইকপাড়ায় আধুনিক বহুতল আবাসন প্রকল্পে নান্দনিকতা, প্রকৌশল দক্ষতা ও সেবার অনন্য সমন্বয় যমুনা ফিউচার পার্কে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুর: প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী খুলনায় পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে ২হাজার ৫শ ৪২ কেজি অবৈধ পলিথিন জব্দ রূপসা উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন নির্মানের শুরুতেই ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ

পরিত্যক্ত ভবনে চলছে খুলনা জেলা  রেজিস্টার কার্যালয়ের কার্যক্রম 

সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০৪ অপরাহ্ন
Oplus_131072

যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা

 

আঃ হাকিম বিশেষ প্রতিনিধি

 

  পরিত্যক্ত ভবনে চলছে খুলনা জেলা রেজিস্টার  কার্যালয়ের কার্যক্রম । যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। জেলা  রেজিস্টার  কার্যালয় সূত্রে জানা যায়  , প্রায় ২০০ বছর আগে নির্মিত হওয়ায় পুরো ভবনটি জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এমন অবস্থায় ঝুকি নিয়েই  কার্যক্রম পরিচালনা করছে জেলা রেজিস্টার ও সদর উপজেলা সাব রেজিস্টারসহ  সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ের  দুই শতাধিক  কর্মকর্তা,  কর্মচারী নকল নবিশ । এছাড়া প্রতিদিন কয়েক’শ সেবা গ্রহীতা এখানে বিভিন্ন সেবা নিতে আসে। এ ভবনে সংরক্ষিত রয়েছে খুলনা জেলার জমা- জমির অনেক মূল্যবান পুরোনো দলিল ও নথিপত্র । সরেজমিন দেখা যায়, ভবনটির বিভিন্ন জায়গা থেকে পলেস্তারা খুলে খুলে পড়ছে । ফাটল ধরেছে মূল ভবনের দেয়ালের বিভিন্ন অংশে। কর্মকর্তা কর্মচারীরা জানান,  বৃষ্টি হলেই  ভবনটির ছাদ থেকে মূল ভবনের বিভিন্ন অংশে পানি চলে আসে। ফলে মূল্যবান দলিল ও নথিপত্র  সংরক্ষণ করা অত্যান্ত  জটিল হয়ে পড়েছে। অপরদিকে ভবনের    বিভিন্ন অংশে বড় বড় ফাটল ধরেছে । যেকোনো সময় সম্পূর্ণ ভবনটি ভেঙে পড়তে পারে ।এমন ভবনের  মধ্যে প্রতিদিন জীবন ঝুঁকি নিয়েই দাপ্তরিক কাজ করতে হচ্ছে সংস্লিস্টদের। ভবনটি ইতোপূর্বে গণভূর্ত বিভাগ কয়েকবারই পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে । তারপরও বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় এমন প্রতিকূল পরিবেশে কাজ করতে হচ্ছে সংস্লিস্টদের। খুলনা জেলা রেজিস্টার ও সদর সাব – রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে সেবা নিতে আসা  সেবাগ্রহিতাদের  সাথে  আলাপকালে তারা জানান এমন ভবনের নিচে অবস্থান করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ । যেকোনো সময় মূল ভবন ভেঙে পড়তে পারে । কাজের প্রয়োজনে এসেছি । সরকারের উচিত খুব দ্রুত এখান থেকে এ কার্যালয়টি  স্থানান্তর করা। এমন ঝুঁকিপুর্ন পরিবেশে কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে খুলনা জেলা রেজিস্টার মোঃ মিজানুর রহমান বলেন , আমি যোগদানের পর থেকে ভবনের বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে চিঠিপত্রের মাধ্যমে বারবার অবগত করে আসছি । ভবনটি গণপূর্ত বিভাগ থেকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। অন্যত্র ভাড়া করা ভবন ও দেখা হয়েছে । বরাদ্দ পেলে নতুন ভবনে কার্যালয় স্থানান্তর করা হবে। তিনি আরো জানান ,খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলা ব্যতীত অন্যান্য উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস গুলোর ও নিজস্ব ভবন নাই । সাব রেজিস্টার এর কার্যালয় গুলোতে  মানুষের মূল্যবান জমা -জমির দলিল   ও নথিপত্র সংরক্ষিত থাকে ।  প্রত্যেকটি সাব -রেজিস্টার কার্যালয়ে প্রতিদিন অসংখ্য সেবা গ্রহীতা সেবা  নিতে আসে। এছাড়া রেজিস্টার ও  সাব- রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের মাধ্যমে সরকারের বড় রকম রাজস্ব আয় হয়। ফলে মানুষের মূল্যবান দলিল নথিপত্র সংরক্ষণ , কর্মকর্তা কর্মচারীদের ও সেবা গ্রহীতাদের জন্য মানসম্মত ভবন প্রত্যেকটি উপজেলায়  প্রয়োজন।  বর্তমান সরকার   খুলনা জেলা  রেজিস্ট্রারের কার্যালয় সহ  এ জেলার প্রত্যেকটি উপজেলায়  সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের নিজস্ব ভবন স্থাপনের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবে এবং খুব দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ হবে এমন প্রত্যাশা খুলনা বাসীর।